ইসলামী বিশ্বে সৌদি আরবের প্রভাব প্রতিপত্তি এবং প্রাসঙ্গিকতা যে ক্রমাগত কমছে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে সেই বাস্তবতা যেন আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে পড়ছে। ১৯৮০ থেকে শুরু করে দুই
তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের এক মাস পর আফগান নারী ফুটবলাররা সীমান্ত পার হয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে গেছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী
আফগানিস্তানে আগামী এক বা দুই বছরের মধ্যে সংগঠিত হয়ে আল-কায়েদা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা এই সতর্ক বার্তা দিয়েছে। মঙ্গলবার মার্কিন গোয়েন্দা ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত বার্ষিক সম্মেলনে ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, ন্যায়সঙ্গত সরকার গঠন এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে তালেবানকে সময় দেওয়া উচিত। বুধবার ইসলামাবাদে ব্যক্তিগত বাসভবন ‘বনি গালা’তে সিএনএনের সঙ্গে এক সাক্ষাতৎকারে পাক প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আফগানিস্তানের কট্টর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী তালেবানের নতুন সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার। আজ বুধবার
বহু দিনের অব্যাহত প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের প্রিন্সজর্জ এলাকায় অবস্থিত ‘মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়’-এর শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের অনুমতির পরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মাঝখানে সম্প্রতি তারা একটি মসজিদ উদ্বোধন করেছেন। এখন থেকে ক্যাম্পাসে
আফগানিস্তান নিয়ে তুরস্ক ও কাতার একসাথে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দোহায় নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত। মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় কর্মরত এ তুর্কি রাষ্ট্রদূত এমন কথা জানিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ইয়েনি
আফগান শরণার্থীদের পুনর্বাসন কাজে সহায়তা দিতে একটি জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন সাবেক তিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিনটন, জর্জ ডাব্লিউ বুশ এবং বারাক ওবামা। ‘ওয়েলকাম ইউএস’ নামে ওই জোটের সঙ্গে
আফগানিস্তানের চারকিন্ত জেলার গভর্নর ছিলেন সালিমা মাজারি। আশরাফ গনি সরকারের শাসনকালে আফগানিস্তানের যে তিন নারী গর্ভনর ছিলেন, তাদের মধ্যে একজন সালিমা। ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— আফগানিস্তানের একের পর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করলে জার্মানিতে নির্বাচনী প্রচারণার খরচ বেশ কম৷ গত মার্কিন নির্বাচনে প্রার্থীরা খরচ করেছেন প্রায় সাড়ে চৌদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এক নতুন রেকর্ড৷ সে তুলনায় ২০১৭