তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটির নাগরিকদের নিরাপত্তায় নতুন নিয়ম সামনে এনেছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ফেসবুক, টুইটার ও লিংকড ইন। তালেবানের হামলার ঝুঁকিতে থাকা আফগানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই নতুন ব্যবস্থা
তালেবানের শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুনজাদা কোথায় রয়েছেন- সংগঠনটি দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখলের পর থেকে ঘুরেফিরে সেই প্রশ্নই উঠছে। আখুনজাদা পাকিস্তানের সেনা হেফাজতে রয়েছে বলে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাদের অভ্যন্তরীণ
কাবুল দখল নিয়ে ক্ষমতায় আসে তালেবান যোদ্ধারা।এরপর থেকেই দেশটি ছেড়ে অসংখ্য মানুষ পালাতে থাকে।ন্যাটো ও আফগান সরকারকে সহযোগিতা করায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া অভিযোগ ওঠে জাতিসংঘের নথিতে। এবার আন্তর্জাতিক
এখনও কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দিতে চায় তুরস্ক। বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান এই আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। গত রোববার তালেবান কাবুল দখলের আগেও তুরস্ক ‘হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর’ এর
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি আফগান পরিস্থিতি নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপ করেছেন।যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত বলেও বুধবার এক টেলিফোনালাপে দুই প্রেসিডেন্ট ঘোষণা
ইহুদিবাদী দেশ ইসরাইলে দুই ডোজ করোনার টিকা দেওয়ার পরও নাগরিকদের দেওয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজ। এর পরও ডেল্টার প্রভাবে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। গত ছয় মাসের মধ্যে গত মঙ্গলবার সর্বোচ্চসংখ্যক
দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি শিগগিরই আফগানিস্তানে ফেরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এমন অঙ্গীকার করেন তিনি। আশরাফ গনি বলেন, আমি সংযুক্ত আরব
পাকিস্তানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ৩ জন নিহত এবং আরও ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় পাঞ্জাব প্রদেশের বাহাওয়ালনগর জেলায় ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে
সীমান্ত পেরিয়ে চিকিৎসা সহায়তা চাইতে যাওয়া ৮৪ জন আফগান সেনাকে গ্রেফতার করেছে উজবেকিস্তান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইউসুফ কাবুদজানুবের বরাত দিয়ে
তালেবান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের সহযোগী দেশগুলোর কর্মীরা রাজধানী ছাড়তে শুরু করলেও চীন, রাশিয়া ও ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে যে, তাদের দূতাবাস বন্ধ করার কোন পরিকল্পনা