কংগ্রেস কার দখলে যাবে, তা জানা যাবে কখন?

| আপডেট :  ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯  | প্রকাশিত :  ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন এবং উচ্চকক্ষ সিনেটের ৩৫টি আসনের ফল প্রকাশ করবে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। তবে ফল অনুযায়ী কোন দল কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ পেতে যাচ্ছে, তা নিশ্চিত হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

বাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে যা বললো ভারতবাংলাদেশে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে যা বললো ভারত
প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যেকোনও দলকে অন্তত ২১৮টি আসনে জিততে হবে। বর্তমানে এই কক্ষে রিপাবলিকান দলের সদস্যসংখ্যা ২১৯, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ন্যূনতম হিসাবের চেয়ে মাত্র এক বেশি। বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে দুটি আসন ফাঁকা রয়েছে।

অন্যদিকে ১০০ আসনের সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ডেমোক্র্যাটদের প্রয়োজন ৫১টি আসন, আর রিপাবলিকানদের লাগবে ৫০টি আসন। কারণ ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সমতার ক্ষেত্রে নিজের দলের হয়ে টাইব্রেকিং ভোট দিতে পারেন। বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকানরা ৫৩-৪৭ আসনে এগিয়ে রয়েছে।

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু, কার হাতে যাবে কংগ্রেস?মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু, কার হাতে যাবে কংগ্রেস?
গত ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটের চার দিন পর সিনেটের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে পেরেছিল এপি, আর প্রতিনিধি পরিষদের ক্ষেত্রে লেগেছিল আট দিন। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় এই ব্যবধান আরও বেশি ছিল; ভোটের পরদিনই সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা গেলেও প্রতিনিধি পরিষদের ফলের জন্য আট দিন অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে সব ভোট গুনতে নিয়মিতই কয়েক দিন সময় লেগে যায়। দেশটির সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনের দিন বিপুল পরিমাণ ডাক ভোট পড়ে। ২০২২ সালে রাজ্যটির মোট ভোটের অর্ধেকই গণনা হয়েছিল নির্বাচনের দিন পার হওয়ার পর।

এছাড়া আলাস্কা ও মেইনের মতো যেসব অঙ্গরাজ্যে এবার সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হচ্ছে, সেখানে ‘র‍্যাংকড চয়েস ভোটিং’ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এই পদ্ধতিতে প্রথম গণনায় কোনও প্রার্থী যদি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পান, তবে সর্বনিম্ন ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয় এবং তার ভোটগুলো ভোটারদের দ্বিতীয় পছন্দ অনুযায়ী বণ্টন করা হয়। এই প্রক্রিয়ার কারণে ফল পেতে বেশ বিলম্ব হয়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস আগে থেকে আনুমানিক কোনও ফল প্রকাশ করে না। পিছিয়ে থাকা প্রার্থীদের জয়ের আর কোনও গাণিতিক সম্ভাবনা নেই, এমন নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল এপি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

 

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত