রো/হি/ঙ্গা গ/ণ/হ/ত্যা মামলার রায়ে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা বাংলাদেশের

| আপডেট :  ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭  | প্রকাশিত :  ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১৭

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায়ে বাংলাদেশ ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রবিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর এক হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘বিচারিক কার্যক্রমে শুদ্ধাচার’ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী ১৯ মে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার রায় ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যাশা কী সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়বিচার। আদালতের সামনে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি গণহত্যা প্রমাণিত হয়, নিশ্চয়ই তার বিচার হবে। এটাই চায় বাংলাদেশ।

এ সময় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে আইনগতভাবে যা যা করণীয়, সেটা আমরা ডিউ প্রসেসে করছি। সেখানে আমাদের আইনসংগতভাবে ডিল করা হবে। আমরা যখন কোনও পদক্ষেপ নেবো, এখানে ইমোশনের কোনও বিষয় নেই। বিষয়টা হলো, আমি আমার আইনটাকে প্রয়োগ করবো।

এ বিষয়ে ভারত সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা ভারত সরকারের ব্যাপার। এক্সট্রাডিশন চুক্তির আওতায় আমরা তাদের কাছে রিকোয়েস্ট করেছি। তারা আমাদের হ্যান্ডওভার করলে আমরা তাকে ডিউ প্রসেসে যেভাবে আইনের আওতায় সোপর্দ করা দরকার, সেভাবে করবো।

এ সময় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত পেতে ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী।

ভারতে শেখ হাসিনা বন্দি হিসেবে নন, বরং রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে আছেন সাংবাদিকের এমন কথার জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, আমার কাছে উনি অপরাধী। আমাদের ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী। এটা হলো আমাদের কাছে তার পরিচয়। ভারত তাকে কীভাবে দেখছে, সেটি তাদের বিষয়।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে সরকার নতুন কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত সব উদ্যোগ ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে।

অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অধস্তন আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করার পর তার বিরুদ্ধে আর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, যখন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছে, নিশ্চয়ই এটা ডিউ প্রসেসেই আছে। যখন এটা সমাপ্ত হবে, হয় তার বরখাস্ত প্রত্যাহার হবে; অথবা যেটা কনসিকোয়েন্স আছে, সেটা হবে।

 

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত