যুক্তরাষ্ট্রের ভূপাতিত করা একটি বিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। রোববার (৫ এপ্রিল) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় একটি বিমান পুরোপুরি ভষ্মিভূত হয়ে
অত্যন্ত জটিল অভিযান চালিয়ে ইরান থেকে নিজেদের বিধ্বস্ত হওয়া যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রুকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই অভিযানে অংশ নেওয়া দুটি পরিবহন বিমান খোয়াতে হয়েছে মার্কিনিদের। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের ভূপাতিত করা যুদ্ধবিমানের পাইলট ও অপর এক ক্রুকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল সেনারা। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রুকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এক্ষেত্রে তাদের ব্যাপক লড়াই করতে হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক সেনা
বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো ইরানে ভূপাতিত হওয়া নিজেদের এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রুকে শনাক্ত ও উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা। তবে তাকে
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির দুই কন্যা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার হওয়া দুই ইরানি নারীর সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই। এর আগে মার্কিন
ইরানের জ্বালানি ব্যবস্থা এবং এ সংক্রান্ত স্থাপনাগুলোতে হামলার জন্য প্রস্তুত ইসরায়েল। এখন শুধু প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামনে ‘বড় চমক’ আছে বলে সতর্কতা দিয়েছেন ইরানের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধে পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে তেহরান এবং তাদের ‘বিশেষ টার্গেট ব্যাংক’ রয়েছে।
কুয়েতে নতুন করে আবারও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে একটি পানি শোধনাগার ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে দুটি পাওয়ার জেনারেশন ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এরআগে দেশটির একটি তেল কমপ্লেক্স
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। দেশটি ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও