ইরানে ‘সরকার বদলানো’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তার সেই লক্ষ্য
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চুক্তি হোক বা না হোক আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান অভিযান বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেছেন।
যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তিই চায় ইরান— এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, যেকোনও সমাধানে ভবিষ্যতে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা এবং ক্ষতিপূরণ থাকতে হবে। একই সঙ্গে
শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যৌথ ৫ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে চীন ও পাকিস্তান। বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসনকে ক্রুসেড বা 'ধর্মযুদ্ধ' হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের অন্যতম দুর্ধর্ষ গেরিলা হিসেবে পরিচিত চেচেন বাহিনী। চলমান যুদ্ধে ইরানের পক্ষ হয়ে লড়াইয়ের ঘোষণাও আসে সশস্ত্র বাহিনীটির
তুরস্কের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবরকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বিষয়টি যৌথভাবে তদন্ত করার প্রস্তাব দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো
আরেক জেনারেল নিহতের খবর জানিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, সপরিবারে তিনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে,
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল আগ্রাসনের মুখে ইরানের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়ার চেচেন যোদ্ধারা। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিভিন্ন তথ্য ও সূত্রের বরাতে প্রেস টিভি জানিয়েছে, রাশিয়ার চেচেন প্রজাতন্ত্রের প্রধান রমজান
হরমুজ প্রণালির বড় অংশ বন্ধ থাকলেও ইরান যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে সহযোগীদের জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রণালিটি খোলার অভিযান তিনি পরবর্তী সময়ের জন্য তুলে রাখতে চান। ট্রাম্প প্রশাসনের
ইরানের অপারেশন ট্রু প্রমিজ ফোরের ৮৮তম তরঙ্গের আওতায় মঙ্গলবার ভোরে মার্কিন ও ইসরাইলি 'সন্ত্রাসী' লক্ষ্যবস্তুগুলোতে এক ভয়াবহ বহুমুখী হামলা চালিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নৌবাহিনী