আদমদীঘিতে মাদরাসা ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও চ্যাটিং ঘটনায় শিক্ষককের বিরুদ্ধে মামলা

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়া ও মোবাইল ফোনে ম্যাসেজে অশালীন ভাষায় যৌন হয়রানিমুলক কথা লিখে চ্যাটিং করা সংক্রান্ত আটক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত আরবি সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপির কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানাযায়, আদমদীঘির নরসতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসার আরবি সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান একই প্রতিষ্ঠানের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রীকে শিক্ষকের মোবাইল ফোনের আইডি থেকে নিয়মিত ভাবে খারাপ ভাষা ব্যবহারসহ স্বামী স্ত্রীর মতো সম্পর্ক নিয়ে যৌন হয়রানি মূলক অশালীন ভাষায় মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে আসছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর বাদিনী ছাত্রীর বাবা ও আত্মীয় স্বজনদের অবহিত করেন ও ম্যাসেজটি দেখান। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে এছাড়া গত ৩০ জুন মঙ্গলবার বিকেলে মাদরাসা আরবি-১ পত্রের শিক্ষক মাওলানা মাহমুদ হাসানকে জনতা বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখে আদমদীঘি থানায় খবর দেন। পরে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরবি সহকারি শিক্ষক মাহমুল হাসানকে আটক করে।
এসময় উত্তেজিত ও বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই সহকারি মৌলভী মাহমুদুল হাসানকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন। আদমদীঘি থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গতকাল বুধবার ১ জুলাই সকালে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষক মাওলানা মাহমুদুল হাসানকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
আরও পড়ুন
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত
