আসছে যুবদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় যারা

| আপডেট :  ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩  | প্রকাশিত :  ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩

রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির অন্যতম সহযোগী ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল। এখন নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। কে আসছেন নেতৃত্বে—সবখানে চলছে সেই আলোচনা।

গেল ৩০ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণের কারণ দেখিয়ে বিলুপ্ত করা হয় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল কমিটি। এরপর থেকেই আলোচনায় রয়েছে অনেকের নাম। এর মধ্যে সভাপতি পদে আলোচনায় এস এম মিজানুর রহমান রাজ, মনিরুল ইসলাম স্বপন, সাজ্জাদুল মিরাজের মতো নেতারা।

তাদের প্রত্যাশা—স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যারা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দল ছাড়েননি, সক্রিয় ছিলেন রাজপথে, তাদেরই মূল্যায়ন করবে কেন্দ্র।রাজনৈতিক খবর পড়ুন

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল কমিটির সভাপতি পদপ্রত্যাশী মনিরুল ইসলাম স্বপন বলেন, ‘যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিলেন, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা হবে। দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে যারা না খেয়ে, মাঠে-ঘাটে থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন, ইনশাআল্লাহ তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।’

সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছে নানা সমীকরণ। আলোচনায় রয়েছে আমিনুল ইসলাম, রাজিব হোসেন পিনটু, আমিনুল হক হিমেল, রফি উদ্দিন ফয়সলসহ আরও অনেকের নাম।

এদিকে কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আমরা ১৭ সেকেন্ডের জন্যও রাজপথ থেকে সরে যাইনি। আমাদের লক্ষ্য ছিল, কীভাবে এই সরকারের পতন ঘটানো যায় এবং মানুষকে গণতন্ত্রমুখী করে কীভাবে তাদের গণতন্ত্রের স্বাদ দেওয়া যায়। জীবনের মায়া ত্যাগ করেও আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছি।’

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী আরেক নেতা রাজিব হোসেন পিন্টু বলেন, ‘দলের দুঃসময়ে আমি সামনে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছি। ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নতুন যারা দলে আসবেন, তাদের সামনে রেখেই যদি আমরা সুন্দর ও গোছানো রাজনীতি করতে পারি এবং মানুষের ভাবনা বুঝতে পারি, তাহলে একটি সুশৃঙ্খল ও সুন্দর সংগঠন গড়ে তোলা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’রাজনৈতিক খবর পড়ুন

তবে কবে নাগাদ আসতে পারে নতুন কমিটি, কী প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে সাংগঠনিক কার্যক্রম—প্রশ্ন ছিল যুবদল সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের কাছে।

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কমিটি কবে নাগাদ হতে পারে, তা এখনই বলতে পারছি না। তবে বর্তমানে এখানে কমিটি না থাকায় আমরা খুব দ্রুত কমিটি গঠনের চেষ্টা করব। কারণ ঢাকা মহানগর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। তাই এখানে কমিটি গঠন করা জরুরি বলে আমি মনে করি।’

নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে কোন বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়া হবে, তৃণমূলের প্রত্যাশা বিবেচনায় আসবে কতটা—এসব প্রশ্নে খোলামেলা কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।মতামত কলাম পড়ুন

তিনি বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে যাদের ভূমিকা রয়েছে এবং যারা নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা ও যোগ্যতাসহ সব বিষয় বিবেচনা করা হবে।’

আন্দোলনের মাঠে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগের মূল্যায়ন আর নেতাকর্মীদের ঐক্য—সবকিছু মিলিয়ে কাদের হাতে উঠছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্ব, এখন সেটি দেখার অপেক্ষা।

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত