২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যের কারণে বাংলাদেশে বেশ পরিচিতি পাওয়া ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ টেলিভিশন চ্যানেল ‘রিপাবলিক বাংলা’ ছেড়েছেন। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেইজে দেওয়া
প্রতিপক্ষকে বুঝে তাদের দুর্বলতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে নিজেকে ওস্তাদ মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এবার ইরানি নেতারা তাঁকে বেশ বিভ্রান্তিতে ফেলে দিয়েছে। তাদের মতিগতি বুঝতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট
ইয়েমেন উপকূলে গোলার আঘাতে ভারতের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ সাগরে ডুবে গেছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ আরোহীর সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভারতের নৌপরিবহনমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল এ তথ্য
হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরান ও ওমানের মধ্যে চলমান আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টায় অন্যতম বড় বাধা
গণ-অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, এই আয়োজনটি একটি বেসরকারি
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কথিত পদত্যাগের খবরকে ‘সম্পূর্ণ বাজে কথা ও মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক বার্তায় এ তথ্য জানান প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ ও
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ছাড় আদায় করতে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক রুট ও জ্বালানি অবকাঠামোকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান। সরাসরি সামরিক জয়ের বদলে মাপা মাত্রায় সংঘাত ছড়িয়ে দিয়ে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণাকে নাকচ করেছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো নতুন আলোচনা হবে না। সোমবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে অন্তত ৬০০টি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনা পুড়ে গেছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় স্পোকেন এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শেষ চেষ্টা হিসেবে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এমন