বাংলাদেশে পাকিস্তানি মনোভাব নিয়ে পোলাপান জন্ম নিলো কীভাবে

| আপডেট :  ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৭  | প্রকাশিত :  ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫৭

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ড. ইউনূস, আপনি যদি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের হয়ে থাকেন তাহলে যখন বলা হয়েছে লতিফ সিদ্দিকীর দুই গালে জুতা মারো তালে তালে, তখনই ড. ইউনূস আপনার দুই গালেও জুতা মারা হয়েছে। আর যদি মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে থাকতেন তাহলে এ রকম হওয়ার কথা ছিল না। মুক্তিযুদ্ধ করে যদি পাকিস্তানের কাছে অত্যাচারিত হতে হয় তাও শান্তি। কিন্তু বাংলাদেশে পাকিস্তানি মনোভাব নিয়ে পোলাপান জন্ম নিল কীভাবে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কাদেরিয়া বাহিনীর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধানকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ওয়াকার সাহেবকে আমি ভালোভাবে চিনি না। তবে আগে তার গ্রামে অনেক সময় কাটিয়েছি। সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের, অন্য দেশে সেনাবাহিনী পরে হয়, কিন্তু আমাদের দেশে সেনাবাহিনী আগে হয়েছে। হাসিনা হটাও আন্দোলনে সেনাবাহিনী যে ভূমিকা রেখেছে তা জনগণ হাজার বছর মনে রাখবে। কেউ কেউ বলছে সেনাবাহিনীর ক্যান্টনমেন্ট পুড়িয়ে দেবে, প্রধান তাদের দেখে নিন আপনি।

সেনাপ্রধান প্রসঙ্গে আরও বলেন, গত ৫ আগস্ট আপনি বলে ছিলেন ভরসা করতে। দেশ হেফাজত করবেন? কিন্তু আজ কোথায় হেফাজত? ৭১ মঞ্চের অনুষ্ঠানে যারা মব করেছে তারা অপরাধী, না যারা ভাঙতে গেছে তারা অপরাধী? আপনি দেখেন না কে অপরাধী? ২৬ বছর যাবৎ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ করে হাসিনার দুশসানের বিরুদ্ধে কথা বলেছি।

বীর উত্তম বলেন, কোটা আন্দোলনের কারণে শেখ হাসিনার বিদায় হয়নি, আল্লাহর গজবের কারণে হাসিনার বিদায় হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকী প্রসঙ্গে সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে সবাই ঐক্য গড়ে তোলেন। ৭১ বাদ দিয়ে কখনও বর্তমান হবে না। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আমরা আগুনে ঝাঁপ দিতে পারি। যারা বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রস্রাব করেছে তারা অশিক্ষিত। অপর দিকে সরকার লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে, তাকে শুধু গ্রেফতার করেই ক্লান্ত হয়নি তারা অপমান করেছে। আমরা লতিফ সিদ্দিকীর মুক্তি চাই।

ফজলুল হক বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- কাদেরিয়া বাহিনীর কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, কোম্পানি কমান্ডার হুমায়ুন বাংগাল, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই ও কালিহাতি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, ঘাটাইল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমানসহ মুক্তিযোদ্ধা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, অনুষ্ঠান শেষে ভূঞাপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতির ছেলে উদয়ের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত