চাকরি হারিয়েছেন ‘মানবিক’ পুলিশ শওকত

| আপডেট :  ২৮ এপ্রিল ২০২৩, ০৫:০৪  | প্রকাশিত :  ২৮ এপ্রিল ২০২৩, ১২:১৭

চট্টগ্রামের রাস্তায় অসুস্থ স্বজনহীন মানুষদের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কনস্টেবল শওকত হোসেন। তার এ মানবিক কাজে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি অনেক উজ্জ্বল হয়েছিল। শওকত হোসেনের কাছ থেকে দেখে সারা দেশের হাসপাতাল, সড়ক, মহাসড়কসহ মানুষের মানবিকতায় এগিয়ে আসছিল হাজারো তরুণ।

কিন্তু গত ১৬ এপিল এক আদেশে সেই মানবিক মানুষটাকে চাকরিচ্যুত করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তার এই চাকরিচ্যুতির আদেশে স্বাক্ষর করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বন্দর বিভাগের উপকমিশনার শাকিলা সোলতানা। আর এ আদেশের কপি পাঠানো হয়েছে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়ের দপ্তরে।

এ আদেশটিতে আরো বলা হয়েছে, একটানা ৭১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ ছাড়া অভিযুক্ত (শওকত হোসেন) শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যা থাকায় এবং বেওয়ারিশ মানুষ নিয়ে মানবিক কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি করা তার পক্ষে সম্ভব নয়―এমন বক্তব্য লিখিতভাবে কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

জানা যায়, ২০১৯ সালে তৎকালীন চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমানের আদেশে মানবিক পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখন কমিশনার নিজে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকাও দিয়েছিলেন।

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা শওকত হোসেন ২০০৫ সালে পুলিশ কনস্টেবল পদে যোগ দেন। ২০০৯ সালে ঢাকা থেকে বদলি হয়ে রাঙামাটিতে যান। সেখান থেকে আসেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে। চাকরির পাশাপাশি তিনি তিন বছরের ডিপ্লোমা এবং দুই বছরের প্যারামেডিক্যাল কোর্স সম্পন্ন করেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি চট্টগ্রাম মহানগরীর অসহায়, দুস্থ ও বেওয়ারিশ মানুষদের নিভৃতে চিকিৎসাসেবা দেওয়া শুরু করেন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পর তিনি মহানগরীতে ঘুরে ঘুরে স্বজনহারা, নাম-পরিচয়হীন অসুস্থ মানুষদের সেবা দিতেন, ওষুধ জোগাড় করে দিতেন। ধীরে ধীরে তার সঙ্গে একাধিক কনস্টেবল স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে এ কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন।

শওকত ২০২১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ডবলমুরিং থানা এলাকায় একটি মাহফিলে অতিথি হয়ে যান এবং ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য দেন। সেই বক্তব্যের জেরে পরবর্তী সময়ে তাকে দামপাড়া বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল থেকে বদলি করা হয়। সাত মাস আগে তাকে কর্ণফুলী থানায় বদলি করা হয়। প্রায় তিন মাস আগে সেখান থেকে আবারও তাকে বদলি করা হয়েছে কুমিল্লা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে।

আপনার প্রতি পর্যায়ক্রমে ০৩ (তিন)টি নোটিশ প্রেরণ করা পরও আপনি যথাসময়ে কর্মস্থলে হাজির না হয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অবৈধভাবে গত ১৪/০৩/২০২২ খ্রি. হতে ০১/০৩/২০২৩ খ্রি. পর্যন্ত ৩৫৩ দিন কর্মমূলে যোগদানে বিলম্ব করেন। আপনি গত ০১/০৩/২০২৩ খ্রি. তারিখ অপরাহ্ণে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে রিজার্ভ অফিস, কুমিল্লায় এসে হাজির হন। আপনার লিখিত আবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, আপনি উল্লিখিত তারিখে অসুস্থতাজনিত কারণে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রামে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন মর্মে উল্লেখ করেন। কিন্তু এসংক্রান্তে আপনি কোনো প্রকার চিকিৎসা সনদপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। সুশৃঙ্খল বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে কর্মরত থেকে আইন ও বিধি মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা তথ্য কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ পালন করা আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিল। আপনি কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ যথাযথভাবে পালন করেননি। আপনি চট্টগ্রাম রেঞ্জ দপ্তর হতে বদলিকৃত কর্মস্থল কুমিল্লা জেলায় যোগদানের উদ্দেশ্যে ছাড়পত্র গ্রহণ করে যথাসময়ে কর্মস্থলে হাজির হননি। আপনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত দীর্ঘদিন (গত ১৪/০৩/২০২২ খ্রি. হতে ০১/০৩/২০২৩ খ্রি. পর্যন্ত) কর্মস্থলে যোগদানে বিলম্ব করেছেন। আপনি দীর্ঘদিন কর্মস্থলে যোগদানে বিলম্ব করে বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেন।

এ ছাড়াও আপনি কর্মস্থলে যথাসময়ে হাজির না হওয়ার বিষয়ে এবং হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে কোনোভাবে অবহিত করেননি। আপনার কর্মস্থলে যোগদান বিলম্বকালে চিকিৎসা গ্রহণ সংক্রান্তে আপনি কোনো প্রকার চিকিৎসা সনদপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। সুতরাং আপনার এহেন কার্যকলাপ বিভাগীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী, কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য, অপেশাদারিত্ব, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলা, অদক্ষতা এবং অসদাচরণের শামিল। প্রকারান্তরে, আপনার এহেন কার্য জনস্বার্থের ও বিভাগীয় শৃঙ্খলার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

গত ২ মার্চ কনস্টেবল শওকত হোসেন পিপিএম বরাবরে কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কার্যকলাপ বিভাগীয় নিয়ম-শৃঙ্খলার সম্পূর্ণ পরিপন্থী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ১৯৪৩ মোতাবেক বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার সন্তোষজনক লিখিত জবাব আলোচ্য কৈফিয়ত তলবনামা প্রাপ্তির ০৭ (সাত) কার্যিদবসের মধ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারী বরাবর দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হলে এসংক্রান্তে তার কোনো বক্তব্য নেই মর্মে ধরে নেওয়া হবে এবং বিধি মোতাবেক পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল চিঠিতে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা ১০ মিনিটে মানবিক শওকত নামে তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘কখনো ভালো কিছুর জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। তাই স্বেচ্ছায় নিজেকে সরিয়ে নিলাম। ইনশাআল্লাহ মানবতার কল্যাণে শেষনিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকব।’ তার পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

শওকত হোসেন বলেন, ‘আল্লাহ পাক যা করেন ভালোর জন্যই করেন। আমি প্রায় তিন বছর আগে পরপর দুইবার চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। এবার গত দুই মাস আগে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে চাকরি থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি জমা দিয়েছি। কর্তৃপক্ষ সেটা গ্রহণ করে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।’ শওকত হোসেন আরো বলেন, ‘মানবিক কাজ করতে গেলে পুলিশের ডিউটি করতে পারছি না, আর ডিউটি করতে গেলে মানবিক কাজগুলো করতে পারছি না। তাই এবার তৃতীয়বারের মতো স্বেচ্ছায় চাকরি হতে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছি প্রায় এক মাস আগে।’

পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বলছে আপনাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে আর আপনি বলছেন চাকরি হতে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন বলেই আপনাকে অব্যাহতি দিয়েছে―এমন এক প্রশ্নের জবাবে শওকত হোসেন বলেন, ‘পুলিশ বলছে আর কি, আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। নিজ থেকেই চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।’

পুলিশের আদেশে ৭১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে―এমন আরো এক প্রশ্নের জবাবে শওকত হোসেন বলেন, ‘এটা সত্যি আমি ৭১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলাম। কারণ আমাকে প্রায় তিন মাস আগে কর্ণফুলী থানা থেকে বদলি করা হয়েছে কুমিল্লা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে। আমি কর্তৃপক্ষকে বলেছিলাম আমাকে চট্টগ্রামের যেকোনো থানায় রাখতে। সে কারণে আমি আর বদলিকৃত জায়গায় যোগদান করিনি এবং স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে দেব বলে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে অব্যাহতিপত্র জমা দিয়েছি।’

চলমান মানবিক কাজগুলোর কী অবস্থা হবে―এমন এক প্রশ্নের জবাবে মানবিক শওকত হোসেন বলেন, ‘চলমান সব ধরনের মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।’ শওকত দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আরো ভালোভাবে আমি মানবিক কাজগুলো করতে পারব। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বাকি সময়টা কাটাতে পারব।’

শওকত হোসেন আরো বলেন, “তৎকালীন পুলিশ কমিশনারের (সিএমপি) এমন মহৎ উদ্যোগের পর বেশ কিছু পুলিশ সদস্য মানবিক কার্যক্রমে অংশ নেন। আবার দেখা গেছে অনেকেই নিজদের নামের আগে ‘মানবিক’ শব্দটি ব্যবহার শুরু করেন। মাহাবুবুর রহমানের স্যারের হাত ধরে শুরু হওয়া মানবিক পুলিশের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছিলেন চট্টগ্রামে তৎকালীন পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর স্যার। তিনি তখন আমাকে বলেছিলেন, এই মানবিক কাজের আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমি তো আর চলমান ধারাবাহিক মানবিক কাজ থামিয়ে রাখতে পারিনি। সবার সহযোগিতায় চালিয়ে গেছি। ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।”

অপরদিকে পুলিশ কনস্টেবল শওকত হোসেনের একাধিক সহকর্মী পুলিশ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহস্পতিবার বলেন, শওকত হোসেনকে যখন কর্ণফুলী থানায় বদলি করা হয় তখন থেকেই তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন তার মানবিক কাজগুলো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায়। তার চলমান মানবিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তিনি মানসিকভাবে সাময়িক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাশাপাশি ডিপার্টমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অমানবিক আচরণের শিকার হন শওকত হোসেন।

চাকরিচ্যুতির আদেশের কপিতে অভিযোগ বিষয়ে লেখা হয়েছে, কর্ণফুলী থানায় দায়িত্বরত পুলিশ কনস্টেবল শওকত হোসেন ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দামপাড়া বিভাগীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। ওই বছরের ৮ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন। এরপর চিকিৎসক এক সপ্তাহের পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেন। কিন্তু ওই বছরের ৯ নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭১ দিন তিনি থানায় গরহাজির ছিলেন। ২১ জানুয়ারি তিনি গরহাজির থাকার কৈফিয়তসহ থানায় হাজির হন।

এরপর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু হয়। সেই মামলার তদন্ত পর্যায়ে চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত জবাব দেন শওকত হোসেন। সেখানে তিনি ‘বেওয়ারিশ মানুষদের নিয়ে মানবিক কার্যক্রমের সহিত সম্পৃক্ত থাকার কারণে পুলিশ কনস্টেবলস পদে চাকরি করা সম্ভব নয়’ মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন। শওকত হোসেনের এমন বক্তব্যের পর ১৬ এপ্রিল সিএমপির উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা তার চাকরিচ্যুতির আদেশে স্বাক্ষর করেন। আদেশে লেখা হয়, ‘অভিযুক্তের কৃত অপরাধের শাস্তিস্বরূপ গুরুদণ্ড হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদের চাকরি হইতে ডিসমিসের (বরখাস্ত) আদেশ প্রদান করা হইল।’

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, কনস্টেবল শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু হয়েছিল আরো আগে। সেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে শওকত নিজে বক্তব্য দিয়েছেন। তার আলোকে পুলিশি বিধি মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আর কিছু না।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (সিএমপি) পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘কনস্টেবল শওকত হোসেনের চাকরিচ্যুতির চিঠিটি আমি দেখিনি এখনো। তবে ঘটনা সত্য। মূলত কনস্টেবলদের চাকরি ডিসিদের কাছে ন্যস্ত থাকে। ফাইনাল ডিসিশন তারাই দেন।’

পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, ‘শওকত হোসেন ৭১ দিন সিএমপিতে এবং ৩৫৩ দিন কুমিল্লায় তার বদলিকৃত জায়গায় অনুপস্থিত ছিলেন। সিএমপির ঘটনা নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তিনি যে জায়গায় বদলি হয়েছেন (কুমিল্লা) সেখানে তিনি ৩৫৩ দিন পর যোগদান করেছেন। তখন কুমিল্লার পুলিশ সুপার তাকে একটি শোকজ লেটার দেন। এ ছাড়াও তিনি ডিসি বন্দরের কাছে তার পারিবারিক ও মানসিক নানা সমস্যার কারণে পুলিশের চাকরি করতে চান না বলে জানিয়েছিলেন। পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। টানা এক বছরের মতো কর্মস্থলে উপস্থিত হবে না, তা কী করে হয়। তাই তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।’

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত