আদমদীঘিতে অবৈধভাবে হারপিক ও খাবার স্যালাইন তৈরির অপরাধে একজনকে কারাদণ্ড

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে অবৈধভাবে ওয়াশরুম ক্লিনার হারপিক ও খাবার স্যালাইন তৈরি ও বাজারজাত করার অভিযোগে হামিদুল ইসলাম ওরফে মেজর (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার কারখানা থেকে জব্দ করা বিভিন্ন মালামাল ও তৈরিকৃত পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
রবিবার রাত ৯টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হামিদুল ইসলাম মেজর সান্তাহার পৌর শহরের পাথরকুটা এলাকার মৃত ময়েজ উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে।
জানা গেছে, হামিদুল ইসলাম মেজর দীর্ঘদিন ধরে সান্তাহার পৌর শহরের পাথরকুটা ও রেলওয়ে সাহেবপাড়া এলাকায় অনুমোদনহীনভাবে ওয়াশরুম ক্লিনার হারপিক ও খাবার স্যালাইন তৈরি করে এসব পণ্যের দোকানে দোকানে সরবরাহ করে আসছিলেন। রবিবার সকালে সান্তাহার উপহার টাওয়ার এলাকায় কয়েকটি দোকানে খাবার স্যালাইন বিক্রির সময় স্থানীয় এক দোকানি নকলবাজ হিসাবে সন্দেহ করে এবং তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামিদুল ইসলাম মেজরকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে ১১ কার্টন খাবার স্যালাইন জব্দ করে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়।
পরে রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে হামিদুল ইসলাম মেজর নিজ বাড়িতে পণ্য তৈরির কারখানা থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে তৈরি হারপিক ও খাবার স্যালাইন, নকল মোড়ক এবং বিভিন্ন নকল পণ্য তৈরির উপকরণ ও আলামত পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে হামিদুল ইসলাম মেজরকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি জব্দ করা অবৈধ পণ্য নকল মোড়ক ও অন্যান্য মালামাল ধ্বংস করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুমা বেগম।
অভিযানকালে বগুড়া ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক জেসমিন বেগমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় সেখানে উৎসুক জনতাকে ভীর করতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত
