জাতিসংঘে জাইমা রহমানকে বাংলাদেশ সরকার চাকরি দেয়নি, নিজ যোগ্যতায় পেয়েছেন

জাতিসংঘে জাইমা রহমানকে বাংলাদেশ সরকার চাকরি দেয়নি, নিজ যোগ্যতায় পেয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের দূরতম কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘের নিজস্ব নিয়মকানুন ও সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার অধীনে তাদের নির্বাহী কার্যালয়ের হিউম্যান রিসোর্সেস টিম সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে জাইমা রহমানের এই আন্তর্জাতিক নিয়োগটি সম্পন্ন করেছে। তার নিয়োগের যাবতীয় প্রক্রিয়া ও আর্থিক সুবিধাদি জাতিসংঘ সরাসরি বহন করে। যেখানে সরকারের কোনও প্রকার সংশ্লিষ্টতা থাকার সুযোগ নেই। যে কেউ চাইলে জাতিসংঘের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখলেই এই পদের যাবতীয় তথ্য ও নিয়োগের স্বচ্ছতা যাচাই করতে পারবেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের প্রফেশনাল কাঠামোতে পি-১ হলো নতুন স্নাতকদের জন্য, পি-২ এর জন্য ন্যূনতম দুই বছরের অভিজ্ঞতা লাগে এবং পি-৩ পদের জন্য প্রয়োজন হয় অন্তত পাঁচ বছরের মধ্যবর্তী পেশাগত অভিজ্ঞতা। এর ওপরে পি-৪, পি-৫ বা ডিরেক্টর লেভেলের উচ্চপদ রয়েছে। ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার ব্যক্তিগত মেধা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এই পি-৩ পজিশনে নিযুক্ত হয়েছেন। তার যে পেশাগত প্রোফাইল রয়েছে, তার সাথে এই পদটিই সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মাহদী আমিন বলেন, অতীতে আমরা যে ধরনের রাজনৈতিক বা পারিবারিক প্রভাব খাটিয়ে আন্তর্জাতিক মিশনে পদায়ন কিংবা প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্তির সংস্কৃতি দেখেছি, তিনি কিন্তু সেভাবে যাননি। তিনি বাংলাদেশ সরকারি প্রতিনিধিদলেরও কোথাও সম্পৃক্ত হননি। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব পেশাগত সক্ষমতা ও যোগ্যতায় বিশ্বদরবারে জাতিসংঘের মতো সংস্থায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন।
নিজের মেধার জোরে আন্তর্জাতিক পরিসরে এমন একটি অবস্থানে পৌঁছানোকে আমাদের বরং সাধুবাদ জানানো উচিত। এই ধরনের সফলতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো কোনওভাবেই কাম্য নয় বলেও জানান মাহদী আমিন।
আরও পড়ুন
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত
