লড়াই করে হারলো বাংলাদেশ

১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান। ১৯তম ওভারে মোড় ঘুরে যায়। এই ওভারে মাত্র ৪ রান নিতে পারে বাংলাদেশ, হারায় ১ উইকেট। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৮ । বাংলাদেশ নিতে পারে ১০ রান। ১৭ রানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। লড়াই করেও ম্যাচ জেতাতে পারলেন না অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।
জিম্বাবুয়ে: ২০৫/৩ (২০ ওভার)।
বাংলাদেশ: ১৮৮/৬ (২০ ওভার)।
১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান
১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান। ক্রিজে আছেন সোহান-মোসাদ্দেক। রানের ব্যবধান আরও বেশি থাকলেও সোহান ঝড়ে কিছুটা কমে। তিনি ২০ বলে ৩৬ রান করে ক্রিজে আছেন। এটি টি-টোয়েন্টিতে তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এর আগে ছিল সর্বোচ্চ ৩৩ রান।
সেট হয়ে শান্তর বিদায়, শেষ ভরসা সোহান-মোসাদ্দেক
জংওয়ের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতেগিয়ে ধরা পড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩ চার ও ১ ছয়ে ২৫ বলে ৩৭ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ক্রিজে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।
৮ বলে ১০ রানে আফিফের বিদায়, বিপদে বাংলাদেশ
৮ বলে ১০ রানে আফিফের বিদায়, বিপদে বাংলাদেশ। জঙওয়ের বলে পুল করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। মিড উইকেট অঞ্চলে বল উঠে যায় আকাশে। তালুবন্দি করেন মাসাকাদজা। ১০৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ১০০ রান।
৭১ বলে বাংলাদেশের ১০০, আরও প্রয়োজন ১০৬
১১.৪ ওভারে বাংলাদেশ দলীয় শতরান পূর্ণ করে। এই রান করতে হারায় ৩ উইকেট। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৪৯ বলে ১০৬। ক্রিজে আছেন শান্ত-আফিফ।
২৭ বলে ২৬ রানে আউট এনামুল
সবে হাত খুলতে শুরু করেছিল এনামুল হক বিজয়ের। দশম ওভারে সিকান্দার রাজার চতুর্থ বলে স্লগ সুইপে হাঁকালেন ৬। কিন্তু পরের বলেই আবার একই শটে মারতে গিয়ে ধরা পড়লেন মিডউইকেটে। শুম্বা ক্যাচ ধরতে ভুল করেননি। ২৭ বলে ২৬ রান আসে বিজয়ের ব্যাট থেকে।
জীবন পেয়েও বুঝতে পারেননি লিটন, খেসারত দিলেন রানআউটে
উইলিয়ামসের বলে শর্ট ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ দেন লিটন। তবে ধরতে পারেননি এনগ্রাভা। কিন্তু তাতে কী, লিটন না বুঝে হাঁটা দেন ড্রসিং রুমের দিকে। এদিকে নন স্ট্রাইক প্রান্তে উইলিয়ামসকে বল পাঠিয়ে দেন এনগ্রাভা। সঙ্গে সঙ্গে উইকেট ভেঙে দেন উইলিয়ামস। নানা নাটকীয়তার পর আউট দেন টিভি আম্পায়ার। নিজের ভুলে রানআউটের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন। ৬ চারে ১৯ বলে ৩২ রান করে ফেরেন তিনি।
ধাক্কা সামলে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের ৬০
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৫ রানে বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায়। এরপর লিটন-এনামুল দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দুজনের জুটি থেকে ২৭ বলে আসে ৫৫ রান। ৫ ওভারে পূর্ণ হয় দলীয় ফিফটি। লিটনের ব্যাট চওড়া হলেও এনামুল এখনো হাত খুলে খেলতে পারছেন না।
৮ বলে ৪ রান করে আউট মুনিম শাহরিয়ার
৮ বলে ৪ রান করে আউট মুনিম শাহরিয়ার। লক্ষ্য ২০৬। শুরুটা হওয়া দরকার ছিল ঝড়ো। হয়েছে উল্টোটা। দ্বিতীয় ওভারে মুনিম ফিরলেন পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে। ৮ বলে ৪ রান করেন তিনি। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী এনামুল হক বিজয়।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবার ২০০ পার করে জিম্বাবুয়ের চ্যালেঞ্জ
২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। প্রথমবার তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০ পার করে। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৫ উইকেটে ১৯৩ রান।
টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারালেও দমে যায়নি জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লে থেকে ১ উইকেটে ৪৩ রান তুলে। এরপর ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হতে থাকেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। নাসুমকে এক ওভারে ১৮ রান নিয়ে শুরু করেন উইলিয়ামস আর শেষ হয়েছে সিকান্দার রাজার ঝড়ে। মাঝে এক পাশ সামলে রেখে রান তুলেছেন ওয়েসলি মাধেভেরে। ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয় চতুর্থ উইকেটে রাজা-ওয়েসলি জুটি। তারা মাত্র ৪৩ বলে ৯১ রান যোগ করে। ৬৭ রানে ওয়েসলি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলে ভাঙে জুটি। শেষ চার ওভারে জিম্বাবুয়ে তোলে ৬৫ রান। আর শেষ ২ ওভারে যোগ করে ৩৮ রান! রাজা ২৬ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া উইলিয়ামস করেন ৩৩ রান। বাংলাদেশের তিন পেসার ছিলেন খরুচে। সর্বোচ্চ ৫০ রান দেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়া শরিফুল ৪৫ ও তাসকিন দেন ৪২ রান। তিনজনে ১২ ওভারে দেন ১৩৭ রান! মোস্তাফিজ সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। ১ উইকেট নেন মোসাদ্দেক।
রাজার ঝড়ো ফিফটি
মাত্র ২৩ বলে ফিফটি করেন দারুণ ফর্মে থাকা সিকান্দার রাজা। এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি। চার হাঁকিয়েছেন ৫টি আর ছয় ৩টি। ওয়েসলির সঙ্গে জুটি গড়ে মাত্র ৪৩ বলে যোগ করেন ৯৩ রান। রাজার ফিফটির পর ৬৭ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়েসলি।
রাজা-ওয়েসলির ঝড়ে এলোমেলো বাংলাদেশের বোলিং
মোস্তাফিজের করা ১৩তম ওভারের শেষ বলে অল্পের জন্য বেঁচে যান সিকান্দার রাজ। শর্ট বলে ফাইন লেগে ফ্লিক করেন, দৌড়ে গিয়েও তাসকিন ক্যাচ ধরতে পারেননি। চার হয়ে যায় উল্টো। ৩ রানে জীবন পাওয়া রাজা এরপর যেন আরও ক্ষীপ্ত হন। এই মুহূর্তে ১২ বলে ২৫ রান করে ক্রিজে আছেন। সঙ্গে থাকা ওয়েসলি ৩৭ বলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি। দুজনের জুটি মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করে। ওয়েসলি ফিফটির পরেই দ্রুত রান তোলায় নজর দেন। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এলোমেলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশের বোলিং। মোস্তাফিজ কিংবা শরিফুল কাউকেই ছাড় দিচ্ছেন না তারা। এগোচ্ছে বড় স্কোরের দিকে।
আরও পড়ুন
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত
