আদমদীঘিতে প্রতিবেশি নানীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে নাতি গ্রেপ্তার

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আদমদীঘি উপজেলা সদর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নাতির মারপিট ও ইটের আঘাতে খাতুন বেওয়া (৬২) নামক নানীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে শামসুল ইসলাম একজন প্রতিবন্ধী। তার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তাকে তার মা কয়েক দিন ধরে ঘরে তালা দিয়ে আটকে রাখে। এ খবর জানার পর প্রতিবেশী নানী খাতুন বেওয়া ৩০ রবিবার (৩০ আগষ্ট) বিকেল ৩ টার দিকে আব্দুর রশিদের বাড়ীতে যায়। তিনি ঘরে আটকে রাখার এদৃশ্য দেখে ঘরের তালা খুলে দেয়ার সাথে সাথে ঘরে আটকে থাকা যুবক শামসুল ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবেশি নানী খাতুন বেওয়াকে এলোপাথারি মারপিট এবং মাথায় আঘাত করে। এতে বৃদ্ধা খাতুন বেওয়া গুরুত্বর হয়। এঘটনার পাড়াপ্রতিবেশি লোকজন মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় । সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে ৫ টায় বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার চৌমুহনী নামক স্থান অতিক্রম করার সময় খাতুন বেওয়ার মৃত্যু হয়। এঘটনা জানার পর গ্রামবাসী প্রতিবন্ধী শামসুল ইসলামকে আটক করে থানা পুলিশের নিকট সোর্পদ করে। এদিকে পুলিশ মৃত খাতুন বেওয়ার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে, ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া মেডিকেলে পাঠিয়েছে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া স্থানীয়রসাংবাদিকদের জানান, এঘটনায় রবিবার রাতে নিহতের জামাই আলম ফকির বাদি হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত নাতি শামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার (৩১ আগষ্ট) পুলিশ স্কট পার্টির মাধ্যমে বগুড়ার আদালতে পাঠানো
হয়েছে।
আরও পড়ুন
- সর্বশেষ খবর
- সর্বাধিক পঠিত
