আদমদীঘিতে ছাত্রীর মোবাইল ফোনে চ্যাটিং, শিক্ষককে ধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

| আপডেট :  ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬  | প্রকাশিত :  ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে দেখা করাসহ নানা ভাবে চ্যাটিংয়ে ম্যাসেজ করা সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ এবং মাদরাসা সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ জনতার রোষানল থেকে রক্ষা করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল ৪টায় আদমদীঘির উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপির কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে রয়েছে।

আদমদীঘি থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আদমদীঘির উপজেলার নসরতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয় দাখেলী মাদরাসার সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদ হাসান বেশ কিছুদিন যাবত একই মাদরাসার ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীর মোবাইল ফোনে তার সাথে একা দেখা করতে বলাসহ নানা কথা লিখে ম্যাসেজের মাধ্যমে চ্যাটিং করে আসছিল। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার অভিভাবকদের জানালে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয় লোকজন শিক্ষকের গতিবিধির প্রতি লক্ষ্য রাখেন।

মঙ্গলবার সকালে মৌলভী শিক্ষক মাহমুল হাসান মাদরাসায় এলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে মোবাইল ফোনে ছাত্রীকে চ্যাটিং বিষয়ে জানতে চাইলে সে অকপটে স্বীকার করে। বিকেল ৪টায় বিদ্যালয় চত্বরে জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে মাদরাসা ঘেরাও করে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রেখে থানায় খবর দেন। পরে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৌলভী শিক্ষক মাহমুল হাসানকে আটক করে। এসময় উত্তেজিত ও বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই সহকারি মৌলভী মাহমুদুল হাসানকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

মাদরাসা সুপার মাদরাসা সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশে সোর্পদ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি আজই জেনেছি। শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে।

আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এ বিষয়ে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

আরও পড়ুন


  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত